হাসিনা পালানোর এক বছর!
হাসিনামুক্ত দেশে মুক্তভাবে শ্বাস নেয় মানুষ।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ আজকের তথ্যচিএঃ
ব্যাপক রক্তক্ষরণের পর গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ঘোষণা দেন পরদিন ৫ আগস্ট মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির। এই কর্মসূচি ঠেকাতে রাত থেকেই রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এই পুলিশ সদস্যরা ছিল ফ্যাসিস্ট সরকার ও হাসিনার একান্ত অনুগত। তারা দায়িত্ব নিয়েছিল যাতে বাইরে থেকে একজন ছাত্র-জনতাও ঢাকায় প্রবেশ করতে না পারে।
সিল মারার ব্যাপক অভিযোগ ছিল। এ নির্বাচন ‘রাতের ভোট’ নামে পরিচিতি পায়। আর গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন। তবে এ নির্বাচনও বিতর্কিত। এতেও প্রধান বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি। নিজদলীয় নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী করে ‘ডামি’ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আয়োজন করা হয়। এ নির্বাচনটিকে বিরোধীরা ‘ডামি নির্বাচন’ বলে আখ্যা দেন। ছয় মাসের মাথায় ব্যাপক ছাত্র ও গণবিক্ষোভের মুখে তিনি পদত্যাগ করে লজ্জাজনকভাবে হেলিকপ্টারযোগে দেশ থেকে পলায়ন করেন।
‘২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে?’
‘যাকে জাতির পিতা বলা হয়, তার পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তার এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তার দম্ভ ও অহমিকার কারণে।’
শেখ হাসিনার পালানোর কথা শোনার পরই লাখ লাখ মানুষ নেমে আসে রাজপথে। দেশের গ্রামগঞ্জেও সেই উল্লাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। হাসিনামুক্ত দেশে মুক্তভাবে শ্বাস নেয় মানুষ। সেই উল্লাসের অংশীদার ছিল আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
অনেক সঙ্কটের মধ্যেও সেই আনন্দ আজো বিরাজমান।
Array

